ইঁদুরের পেটে কারাগারে গাঁজা ও মোবাইল পাচার

মাদক পাচার নিয়ে প্রতিদিন নানা খবর শুনতে কিংবা দেখতে পাচ্ছি আমরা। কিন্তু যুক্তরাজ্যের একটি কারাগারে অভিনব পদ্ধতিতে মাদক পাচারের খবর জানা গেছে। মরা ইঁদুরের পেটে করে শুধু গাঁজা নয় মোবাইলও পাচার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ পুলিশ।বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মরা ইঁদুরের দেহে অন্যান্য মাদকের সঙ্গে তামাক আর মোবাইল ঢুকিয়ে সেলাই করে দেশটির ডোরসেটের শ্যাফটসবারির এইচএমপি গায়েস মার্স নামে একটি পুরুষদের কারাগারে পাঠানো হতো। মার্চের শুরুতে মাটি খুঁড়ে তিনটি ইঁদুরের দেহের ভিতর থেকে এগুলো উদ্ধার করে পুলিশ।

কারাগার কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা এই ধরনের ঘটনা এই প্রথম দেখছে। ডোরসেট পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে বলেও জানিয়ে কারা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু অভিনব এই পদ্ধতিতেত পাচারের সঙ্গে কারা যুক্তসে বিসয়ে এখনো কিছু জানাতে পারেনি তারা।কারাগার সংলগ্ন বেড়ার ওপাশ থেকে যে মরা ইঁদুরগুলো ছুঁড়ে মারা হতো সেগুলোর দেহ কেটে বিশাল পরিমাণ মাদক ও গাঁজা পেয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। তাছাড়া তারা পাঁচটি মোবাইল ফোন, চার্জার এবং তিনটি সিম কার্ডও উদ্ধার করেছে তারা।

কারাগার কর্তৃপক্ষ বলছে, এগুলো মাটি খুঁড়ে বের করে কারাবন্দীদের মধ্যে বিক্রির জন্য পাঠানো হতো। দেশটির কারাগার বিষয়ক মন্ত্রী ররি স্টিওয়ার্ট বলছেন, ‘আমরা এর মাধ্যমে জানতে পারলাম অপরাধীরা কত অদ্ভুত উপায়ে কারাগারে মাদক পাচার করতে পারে।’ অবশ্য এর আগে পাচারকারীরা ড্রোন, টেনিস বল ও কবুতর ব্যবহার করতো মাদাক সরবরাহের কাজে। ২০১৮ সালের জুনে ডোরসেটের একজন কারা কর্মকর্তা বলেছিলেন, ওই কারাগারটিতে মাদকের ব্যবহারের কারণে বেশ কয়েকটি মৃত্যুর ঘটনাও নাকি ঘটেছে।কারাগার কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা এই মাদক পাচার ঠেকাতে কারাগারের জানালাগুলো সরিয়ে ফেলবে। তাছাড়া সেখানে অতিরিক্ত ১২জন কারা কর্মকর্তাকে মোতায়েন করা হয়েছে যেন তারা তারা এসব বিষয় নজরদারিতে রাখেন।