সেই বিলকিসকে ৬০ লাখ টাকা, বাড়ি ও চাকরি দেয়ার নির্দেশ

সময়টা ছিল ২০০২ সাল। ৩ মার্চ হঠাৎ করে আক্রমণ হয় বিলকিস বানুর বাড়িতে। তিন বছরের সন্তানসহ একে একে পরিবারের ১৪ জন সদস্যকে হত্যা করা হয়। ভাগ্যক্রমে বেঁচে গিয়েছিলেন বিলকিস।
সেই বর্বরতার সময়ে বিলকিস অন্তঃসত্ত্বা ছিল। কিন্তু নির্যাতন থেকে রক্ষা পায়নি। গণধর্ষণের শিকার হয় অন্তঃসত্ত্বা বিলকিস। গুরুতর আহত বিলকিসকে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করা হয়।

২০০২ সালে ভারতের গুজরাটে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার দৃশ্য ছিল এটি। সেই থেকে অনিশ্চয়তায় জীবন কাটছে বিলকিসের। আদালতে মামলা হয়। মানবাধিকার কর্মীদের সহায়তা মামলা লড়তে থাকে অসহায় বিলকিস।
ধর্ষণের ঘটনায় ২০০৮ সালে ১১ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। পাশাপাশি এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলায় অকারণ দেরি করার অভিযোগও আনেন বিলকিস। সেই কর্মকর্তাকে সাজা দেন বোম্বে হাইকোর্ট।

এর পর ক্ষতিপূরণ দাবি করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করে বিলকিস। মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) তাকে ৬০ লাখ টাকা (৫০ লাখ রুপি) ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। গুজরাট সরকারকে এই অর্থ দিতে হবে। এছাড়া বিলকিসের থাকার জন্য বাড়ি ও সরকারি চাকরিও দিতে হবে।